Wednesday, July 29, 2015

Gray Moment

Adri Sitting alone, has become a habit nowadays bitumen. Is a little chance. Imagine sat alone in a deserted place. Rivers pulled him a little bit. His favorite place in the mountains. So that the girl, her mother can not understand itself. Terrace from which bitumen can hear the mother's voice. The bitumen bitumen boring you? I do not desire to take the mountain of totally neglected. The mother knows she will call home, and yet the way he shouted. Two out of the mountain, and his mother is housed animals. Thus, the mother told him that bitumen is so quiet is a scream. Legs slowly down the mountain in front of his mother suggests. But do not say any words. Face-up on the sidelines of a sudden, her mother was astonished at her. For some time, he forgot why he was summoned to the mountain. Bhantei mother came to the amazement of the little power that no one is standing in the way? Yet the silent mountain. Watch yourself angry mother said to wash their hands, and sit down to breakfast first. Thus came the silence that goes to the mountain house. A deep sigh and looked at the road to the girl's mother. Thus, at the girl's father after leaving the stop. What a day that was supposed to be her father. In bitumen fed mother used to say, 'Now you're a little don't stop bitumen. Bubba to save so many people? "She scolded Adrike would realize, the more affectionately Mr. asaphaka bitumen parents would say, 'Aw, why that girl bako Actually, do you? Nothing in this maye, my mother. This girl is never silent, but my world is silent. "Mother said not to have been the head of the woman with affection. He finished his shower and was the daughter of the school office. The daughter of Mr. Asaphaka was taken out of the daily routine. Absently thinking again about the mother of the bitumen to be blown off with a sigh left. Breakfast with hand function to broadcast the recovered bitumen she was walking toward the house. Gently remove the screen to enter the house, he could see the mountain on the chair and walked over dupa chin sitting back laughter at his photo. Bitumen mother's vision becomes clouded. He controlled himself very quickly say, 'How long do I remove the picture from there. What looked like a profit? He is watching you, so what are started or trouble. Not once has he asked to see whether or how are you? "That was not the daughter of the night's sleep! Adri's mother heard a lot of chatter as little bitumen Adri says' Ah! Ma stop you this time? Every day parents cry myself down pillow. I do not know what do you think? "She startled and he controlled himself, not for your father, I would cry. "But the mother of grief for what?" My love is insults. I took that out of the earth your father, and your father .... the mountain silence and cried his mother. Some say is the mother and daughter mountain. Because neither ate breakfast at the mountain's mother came out of the room. Love looked at the breakfast altogether too Changing bitumen is it? The death of the man who would not love to get that wanted to leave was made. Someone is getting the blame goes to visit the sins of others. As the sun! Adri not made to see how in love with, not one day see the face Touchy Inflate, night or there would have been his sleep. How long is the middle of the night to see the sunrise adhamrite Adri of light. But today, the arkai, distant views of the; The name of the song bitumen or curved face. I never had any fault bitumen. Now he does not want to go to college bitumen. How's father had conspired together. Some of the questions are directly sitting, Hello bitumen far, your father went ahead, and your mother did not feel anything? What will answer these questions bitumen? Adri's not supposed to know the answers to these questions. Yet everyone will ask. Ghamye hand to give a lot of pepper. Father, bitumen entire colored gray world suddenly became certain. Often bitumen parents, working out for the tour and back in time. But the service was the father, the last; He came back for a divorced father started sending letters, and a letter a few lines. Whose name was not in the bitumen. My father told my mother, now she loves someone else. So exercise is impossible for him to live with. They have two married. Mr. Asaphaka new family does not want any unrest. He signed a letter sent to the divorced mother of bitumen at the end of Compromise. Dower in accordance with which he will owe a debt. Mom wants to go to court, even if the mountain has no objection. He is divorced from the middle of don't take this is a little late. Compromise mother had signed the letter sent to bitumen. When Could not love the price. And he will pay what the court ties of the relation? And in the face of bitumen has heard that his father had married a woman he had a job or office Today. A society that does not think the mountain during the day is one of the sins of others Penalty. Today he has to go alone, he is not liable for any deeds. Sunrise is the blood of your father came to the time to leave your body, do not you ?!

ধূসর সময়

একাকী বসে থাকা একটা অভ্যাসে পরিনত হয়ে গেছে অদ্রির। একটু সুযোগ পেলেই হয়। কোন একটা নির্জন জায়গা খুজেঁ বসে পড়ে।
নদী তাকে একটু বেশিই টানে। পাহাড় তার পছন্দের জায়গা।
কি যে ভাবে এতো মেয়েটা তার মা নিজেই বুঝে উঠতে পারেনা।
ছাদের কোনটা থেকে অদ্রি মায়ের চিৎকার শুনতে পায়।
অদ্রি এই অদ্রি কইরে তুই?
উত্তর টুকু নিতেও ইচ্ছা হয়না অদ্রির।
মা খুব ভালো করেই জানে সে বাড়িতেই আছে তবুও এভাবেই চেঁচিয়ে ডাকবে তাকে।
ঘড়ে বাইরে দুটো মাত্র প্রানী অদ্রি আর তার মা।
অদ্রি এতো চুপচাপ থাকে যে তাকে কথা বলাতে এভাবেই মা কে চিল্লাতে হয়।
ধিরে ধিরে পা ফেলে অদ্রি নিচে নেমে মায়ের সামনে গিয়ে দাড়ায়।
কিন্তুু কনো কথা বলে না।
কাজের ফাকে মুখ তুলে হটাৎ মেয়েকে দেখে চমকে ওঠে মা।
কিছু সময়ের জন্য ভুলেই যায় কেন ডেকে ছিলো সে অদ্রি কে।
চমক ভাংতেই মা একটু জোরেই বলে ওঠে কাছে এসে কথা না বলে কেউ এভাবে দাড়িয়ে থাকে?
তবুও অদ্রি চুপ।
নিজের মনে রাগ সামলে মা বলেন যাও হাত মুখ ধুয়ে নাস্তা করে পড়তে বসো।
যেভাবে এসেছিলো সেই নিরব ভাবেই অদ্রি নিজের ঘরের দিকে চলে যায়।
মেয়ের গমনে পথের দিকে তাকিয়ে মা একটি গভীর দীর্ঘশ্বাস ফেলেন।
বাবা ছেড়ে চলে যাবার পর থেকেই মেয়ে টা এভাবেই চুপ হয়ে গেছে।
বাবা থাকতে সারাদিন ছিলো কতো যে কথা তার।
অদ্রির কথায় অতিষ্ঠ হয়ে মা বলতেন এবার কি একটু থামবি তুই অদ্রি। বাব্বা এতো বাচাও কি মানুষ হয়?
মা যতোই অদ্রিকে বকা দিতে অদ্রির বাবা আসফাক সাহেব ততোই আদর করে বলতো ইস্ কেন যে মেয়েটাকে খামাখা বীকোল্প তুমি?
এই একটাই তো ময়ে আমার,
আমার মা।
এই মেয়ে যদি কখনো চুপ হয়ে যায় তবে তো আমার পৃথিবী নীরব হয়ে যাবে।
মা বলতেন হয়েছে আদর দিয়ে আর মাথায় তুলতে হবেনা মেয়েকে।
এবার যাও তো গোসল সেরে তৈরী হয়ে মেয়েকে স্কুলে দিয়ে অফিসে যাও।
আসফাক সাহেব তৈরী হয়ে মেয়েকে নিয়ে বের হয়ে যাওয়া ছিলো প্রতিদিনের রুটিন।
কথা গুলো আনমনে চিন্তা করতে করতে আবারও অদ্রির মা একটি দম বন্ধ হওয়া দীর্ঘশ্বাস ছারেন।
হাতের কাজ টুকু সেরে তিনি নাস্তা নিয়ে অদ্রির ঘরের দিকে হাটা দেন।
আলতো করে পর্দা সরিয়ে ঘরে প্রবেশ করেই উনি দেখতে পান অদ্রি চেয়ারে উপরে দুপা তুলে হাঁটতে থুতনি ঠেকিয়ে বসে আছে অপলক দৃষ্টি তে বাবার ছবির দিকে চেয়ে।
অদ্রির মাযের দৃষ্টি ঘোলাটে হয়ে আসে।
খুব দ্রুত উনি নিজেকে সামলে বলতে থাকেন,
কতোদিন বলেছি ছবিটা ওখান থেকে সরিয়ে দেই।
কি লাভ এভাবে তাকিয়ে থেকে?
সে কি জানছে বা দেখছে তোর এক কষ্ট।
নাকি সে একবারও জানতে চেয়েছে বা দেখতে এসেছে কেমন আছিস তুই?
যে মেয়েকে ছাড়া রাতে বাবার ঘুম হতোনা!
অনেক খন মায়ের বকবক শুনে একটু রুক্ষ্ম ভাবে অদ্রি বলে ওঠে আহ্ মা থামবে তুমি?
নিজেও তো প্রতিদিন বাবার বালিশটা চেপে কান্না।
কি ভাবো আমি তা জানি না?
মা চমকে উঠে নিজেকে সামলে নিয়ে বলে,
কান্না তো আমি তোর বাবার জন্য করিনা,
তবে কিসের জন্য কান্দো মা?
কান্দি আমার ভালোবাসার অপমানের জন্য।
সারা পৃথিবীকে ছেড়ে যে আমি তোর বাবার হাত ধরেছিলাম,
আর সেই তোর বাবা....
অদ্রি চিৎকার করে চুপ করিয়ে দেয় তার মাকে।
অদ্রির মা আর কিছু বলেনা মেয়েকে।
নাস্তা টা খেয়ে নিও বলেই রুম থেকে বের হয়ে আসে অদ্রির মা।
নাস্তার দিকে তাকিয়ে অদ্রি ভাবতে থাকে
ভালবাসা এতোটা পরিবতর্নশীল কি করে হয়?
যাকে না পেলে একসময় যে মানুষটা মৃত্যু চাইতো সেই পেয়ে যাওয়া ভালোবাসাই মূল্যহীন হয়ে ছেড়ে যায়।
আবার না পেয়েও তো কেউ কেউ শুধু অন্যের পাপের দায় চাপিয়েও চলে যায়।
এই যেমন অর্ক!
কতোই না ভালোবাসতো অদ্রিকে,
একদিন না দেখতে পেলে অভিমানে মুখ ফোলাতো,
রাতে নাকি তার ঘুম হতোনা।
কতো দিন মাঝ রাতে এসে অদ্রিকে আলো আধাঁরিতে দেখে গেছে অর্ক।
অথচ আজ সেই অর্ক ই দেখা তো দুরের অদ্রির নাম শুনলেই নাকি মুখ বাঁকা করে।
অদ্রির তো কোন দোষ ছিলো না কোথায়।
কলেজেও এখন আর যেতে ইচ্ছে করানো অদ্রির।
সবাই কেমন বাবাকে নিয়ে কানাঘুষা করে।
কেউ কেউ তো সরাসরি প্রশ্ন করে বসে কিরে অদ্রি এতদুর এগিয়ে গেলো তর আব্বু তোর আম্মু কি কিছু টের পায়নি?
এসব প্রশ্নের কি উত্তর দেবে অদ্রি?
এসব প্রশ্নের উত্তর তো অদ্রির জানার কথা না।
তবুও সবাই জিজ্ঞাসা করবে।
অনেকটা কাঁটা ঘাঁয়ে মরিচ দেয়ার মতো।
বাবা,অদ্রির সম্পুর্ন রঙ্গিন পৃথিবী হটাৎ করেই ধূসর হয়ে গেলো।
প্রায়ই অদ্রির বাবা,
কাজের জন্য বাইরে টুরে যেতেন এবং ফিরেও আসতেন সময় মতো।
কিন্তু সে বার যে বাবা গেলো সেই শেষ,
ফিরে এলো বাবার পাঠানো আম্মুর জন্য ডিভোর্স লেটার আর কয়েক লাইনের একটি চিঠি।
যার মাঝে অদ্রির নামটাও ছিলোনা।
বাবা জানিয়েছিলেন মা কে এখন তিনি অন্য একজনকে ভালোবাসেন।
তাই আম্মুর সাথে বসবাস করা তার জন্য অসম্ভব।
তার দুইজন বিয়ে করেছে।
নতুন সংসারে আসফাক সাহেব কোন অশান্তি চান্না।
যদি সেচ্ছায় অদ্রির মা ডিভোর্স লেটারে সই করে পাঠাও তো আপোসে শেষ।
কাবিন মোতাবেক যা দেনা পাওনা উনি দিয়ে দেবেন।
আর অদ্রির আম্মু যদি কোর্টে যেতে চায় তাতেও তার আপত্তি নেই। ডিভোর্স তো তিনি নেবেনই মাঝ থেকে একটু দেরি হবে এই যা।
অদ্রির মা আপোস সই করে পাঠিয়ে দিয়েছিলো।
যেখানে ভালোবাসাই মূল্য পেলো না।
কোর্ট আর সে সম্পর্কের কি মূল্য দেবে?
অদ্রি পরে লোক মুখে শুনেছে যে মহিলাকে তার আব্বু বিয়ে করেছে সে নাকি আব্বুর অফিসেই চাকরি করতো।
সারাদিন অদ্রি এটাই চিন্তা করে উত্তর পায় না এ সমাজ কেন একজনের পাপের সাস্তি অন্যকে দেয়।
আজ তাকে সম্পূর্ণ একা হয়ে যাওয়া জন্য তো তার কোন কর্ম দায়ী নয়।
অর্ক চলে যাবার সময় বলে গেলো তোমার বাবার রক্তই তো তোমার শরীরে তাই না।
লেখিকাঃ- অপরাজিতা 

ভুলে যাই

নে রাখি শত সহস্র বছরের করুণা
ভুলে যাই,হাজার বছরের ভালোবাসা
দেনা-পাওনার হিসাব ছাড়াই
দিনের পর দিন কাটানো সুখের কিচ্ছা।

এযাবৎ কালের ভিক্ষার দান
তাও জমা করে রাখি,বক্ষে ধরে অভিমান
শুধু থাকেনা,নিঃস্বার্থ প্রেম ছলনা ছাড়া
অনেক দিনের অনুভব।

প্রেম মরে গেলে ঘৃণাতেই হয় তার আবাস
হিসাবের খাতা বন্ধ করে দিয়ে -
শুরু করি তাই নতুনের গান।

স্মৃতির ভান্ডারে ধুলোর প্রলেপ,
মুছে দিয়ে শত জনমের ঋণ -
ধূসরতায় বিবর্ন মলিন হৃদেয়র ইতিহাস,
আপনও পর,যেন দখলের কারবারে ,
অতীতের উপর ছাপ পরে হয়ে যায় বিলিন।

ভুলে যাই সব,ভুলে যেতে হয়,
কখনো ভানে,কখনো মনে অথবা সঙ্গোপনে
ভুলে যাই,ভুলেরই অভিনয়ে।

Saturday, July 18, 2015

To prevent anxiety in your life

Today one else on earth. There is no chain, no ties, no attachment to life no way to lost no excuse. Nothing going on ... The borders! I've tied yourself again traverses own!
When people do not have to live with the lonely life, but that he behaves not good. In giving life to all the life left, Let destiny.
Let the hand of destiny, as far as can be. However, to continue this life is not fair. The proper direction in life, a little sympathy. What else?
And a little love. Which will take him/her by the hand back to normal life. So we should understand the meaning of life, the crime and the proper purpose of life. Without aimless life, to find meaning in u'r life, the way she handled herself in public. Life is one, I spent all doubt, all fear from the mind drop the left, the right of everyone to the chosen her/his right way.
Once that time is spent in, he will not be back. Come the day and can not get back in. Give yourself the opportunity to drop the hesitation so all the new things to be in charge. What do you have to cover yourself on the cover of the memory of a friend?
So let's drop the rush boldly into the new raising life. One day it will be able to bathe in the joy of life, unwittingly. So I'm not a concern. Good luck to you in the coming days.

Author: - Mishu.

জীবনের দুর্ভাবনা দূর করুন

আজ এক অন্য আমি পৃথিবীর বুকে। নেই শৃঙ্খল, নেই বন্ধন, নেই পিছুটান কোন অজুহাত জীবন থেকে পালাবারঅ। অবলীলায় হেঁটে চলেছি দূর সীমানায়...!  আমিযে নিজেকে আবার আবদ্ধ করেছি নিজেরই ঘোরে! 
মানুষ যখন আর একাকী জীবন বয়ে বেড়াতে পারেনা, তখনই সে এমনটা আচরণ করে। সব ছেড়ে জীবনের হাতে জীবনকে সমর্পন করে। নিয়তি নিয়ে যাক।
নিয়তি নিয়ে যাক হাত ধরে যতদূর নিয়ে যেতে পারে। তবে এভাবে জীবনকে চলতে দেওয়া ঠিক নয়। জীবনের প্রয়োজন সঠিক দিক নির্দেশনা, আর একটু সহানুভূতি. আর কি?
আর একটু ভালবাসা। যা তাকে হাত ধরে নিয়ে যাবে আবার স্বাভাবিক জীবনে। তাই আমাদের উচিত জীবনের মর্মার্থ বুঝে, সেদিকে মনোযগ দেয়া। উদ্দেশ্যহীন জীবন-যাপন নাকরে, জীবনের মানে খুজে সে পথে নিজেকে পরিচালন  করা উচিত সবার। জীবনতো একটাই, তো সব সংশয় কাটিয়ে, মন থেকে সব ভয় ঝেরে ফেলে, এগিয়ে চলো সবাই সামনের দিকে। 
জীবনে যে সময় একবার অতিবাতি হয়ে যায়, সে সময়  আর ফিরে আসবেনা। ফেলে আসা দিনও আর ফিরে পাওয়া যাবেনা। তাই সব দ্বিধা ঝেরে ফেলে নিজেকে আর একটা সুযোগ দাও সবকিছু নতুন করে গুছিয়ে নিতে। ফেলা আসা স্মৃতির মলাটে নিজেকে মুড়ে লাভ কি বন্ধু?
তাই সব ঝেরে ফেলে নব উদ্দমে ছুটে চলো নির্ভয়ে। দেখবে একদিন ঠিকই জীবনের আনন্দে  স্নান করতে পারবে নিজের অজান্তেই। তাই আর দুর্ভাবনা নই। ভাল কাটুক আপনাদের আগামী দিনগুলো ।

লেখিকা:- মিশু।

Monday, July 13, 2015

Love is an emotion that all of us want to.

Many people are afraid to get married, or about to engage. Among them is the desire for love is not love that? Sometimes question why am I still alone in their own mind?
Today I will give some of it away to interrupt you and show you the way to be alone.
1. Family turmoil seen in short duration. Cool relationship in which parents at an early age to keep up manabhaba you create yourself.
II. Mayeya father scolded or beaten easily ignore the attempts, from an early age to hide himself in the habit of running away with age hesitant about new jarate.
3. Apraptii the affection of pity to have a new relationship and makes you dbidhambita insecurity.
There are some more reasons to build a new relationship, which lets echara hindered case.
One by one, slowly and gradually, I'll do it. ***

Author: - Oporajita.

Sunday, July 12, 2015


Maybe life is that I did not understand,
Today silly dancing passion lies -
Across the courtyard of mind.
The tireless efforts of people like -
Standing in complexion is absurd;
All along their boundaries.
Give the exact price of relation.
Tsonga has been forgotten bits and ties.
The past mossy ruined me -
Clean practice eyebrows present.
Sbakiyata blindly following the dissolution of the last chapter -
People expected me to dust too.
The estimated time too, having sought;
Yet, there is the debt, leads regrettably,
Fatigue brings imagination -
Nicatara ghuna poker devour;
Asangayita earlier perception of conscience.
Enjoyments of his spirit, to diversity -
Increased thirst becomes scarce available.
Under constantly changing -
Life today is too selfish, thoughtless,
To calculate the namby-sits,
The cost of the move all things.
That to me is very much needed,
Thoughtless time,
Selfless and unselfish zone innocent appearance.

Writer:- Oporajita.


আমি হয়তো জীবনটাই বুঝিনি,
আজও ছেলেমানুষি আবেগ নেচে বেড়ায় -
মনের আঙ্গিনা জুড়ে।
ভালো মানুষ হবার নিরলস চেষ্টায় -
কিম্ভুতকিমাকার একটি রুপ দাড়িয়ে গেছে ;
আপন গন্ডির সব ধারে।
সম্পর্কের সঠিক মূল্যে দিতে গিয়ে-
সঙ্গার ভুলে সৃষ্টি হয়েছে জগাখিচুড়ী বন্ধন।
শেওলার জমা অতীত আর ছন্নছাড়া আমাকে -
ভ্রুটি করে বর্তমানের পরিচ্ছন্ন অভ্যাস।
অন্ধের মত অনুসরণে স্বকিয়তা বিলুপ্তির শেষ অধ্যায়ে -
বড্ড কাঙ্খিত লাগে ধুলো জমা সেই আমাকে।
আজ বড্ড হিসেবী সময়, চাওয়া পাওয়ায় ;
তবুও দেনা থেকেই যায়,বাড়ে আফসোস,
কল্পনায় আনে ক্লান্তি -
নিচতারা ঘূণ পোকার মতো গ্রাস করে ;
অসঙ্গায়িত বিবেকের যতো উপলব্ধি।
আপন আত্মায় ভিন্নতার স্বাদ আস্বাদনের চেষ্টায় -
তৃষ্ণা বেড়ে গিয়ে সহজলভ্য হয়ে পড়ে দুর্লভ।
প্রতিনিয়ত পরিবর্তনের ধারায় -
জীবন আজ বড্ড বেহিসাবী স্বার্থপর,
একটুতেই হিসাব কষতে বসে যায়,
দেয়া নেয়া জমা খরচের।
খুব বেশি প্রয়োজন সেই আমায়,
বেহিসাবী সময়,
স্বার্থহীন নিস্পাপ অবয়ব আর নিঃস্বার্থ বলয়।
‪লেখাকা:- ‎অপরাজিতা‬ ।

Saturday, July 11, 2015

*** ভালোবাসা এমন একটা আবেগ যা আমাদের প্রত্যেকের কাছে কাঙ্ক্ষিত । ***

অনেকেই বিয়ে করতে বা সম্পর্কে জড়াতে ভয় পায় । তাদের মাঝে যে প্রেম ভালোবাসার আকাঙ্ক্ষা নেই তা নয়? কখনো কখনো তাদের নিজেদের মনেও প্রশ্ন জাগে কেন আমি এখনো একা?
আজ আমি আপনাদের কিছু কারণ তুলে ধরবো যা আপনার একা থাকা এবং তা দূর করারা পথ দেখাবে ।  
১। ছোট বেলা থেকে দেখা পারিবারিক অশান্তি । বাবা মায়ের শীতল সম্পর্ক যা ছোটবেলা থেকেই আপনাকে নিজেকে গুটিয়ে রাখা মনভাব তৈরি করে ।
২। অল্পতেই বাবা মায়েয় বকা বা পিটুনি থেকে বাচার চেষ্টায়,ছোটবেলা থেকে নিজেকে আড়াল করে চলার অভ্যাস আপনাকে বয়সের সাথে সাথে নতুন সম্পর্কে জরাতে দ্বিধাগ্রস্থ করে ফেলে ।
৩। স্বাভাবিক স্নেহ মমতার অপ্রাপ্তিই সময়ের হাত ধরে নতুন সম্পর্ক গড়ে তোলার ক্ষেত্রে আপনাকে করে তোলে নিরাপত্তাহীনতা এবং দ্বিধাম্বিত ।
এছারা আরো কিছু কারণ আছে যা আপানার নতুন সম্পর্ক গড়ার ক্ষেত্রে অন্তরায় হয়ে দাঁড়ায়।
এক এক করে ধিরে ধীরে আমি আপনাদেরকে তা জানাবো ।***

লেখিকা:- অপরাজিতা।

Wednesday, July 8, 2015



দ্বিধা মানুষের একটি স্বাভাবিক অনুভূতি,তবে সেটা যতক্ষণ পর্যন্ত স্বাভাবিক থাকে অন্য সব অনুভূতির মতো ততোক্ষণ ভালো; আর এটা যখন অস্বাভাবিক হতে শুরু করে জীবনের অগ্রগতির পথ হতে থাকে বাঁধা প্রাপ্ত। আমরা হয়ে পড়ি অস্থির।
মানুষ মাত্রই বিভিন্ন সময়ে নানা রকম দ্বীধার সম্মুখীন হই আমারা। কখনো দ্বীধা কাটীয়ে উঠে সিদ্ধান্ত নিতে কষ্ট হয় না খুব একটা। কখনো দ্বীধার কারণে সিদ্ধান্ত হীনতায় অনেকটা মূল্যনাব সময় চলে যায় আমাদের জীবনের সীমানার বাইরে। আবার এমন হয় সিদ্ধান্তই নেয়া হয় না, কি হবে? কি হতে পারে? যদি ভুল হয়? এসব প্রশ্নের অত্যাচারে শুধু জর্জরিত হয় জীবন।
জীবন মানেই নানা অনুভূতির সমন্বয়। প্রশ্নের কারবার এবং উত্তর খোঁজার আকাঙ্ক্ষা। এই সব কিছুর মধ্যে থেকে যখনই আমারা প্রশ্নে এসে ঠেকে যাই, উত্তর আসে অনেক গুলো কিংম্বা না বোধক, আর আমারা হয় উঠি ভীত দ্বিধাগ্রস্থ।
এইসব দ্বীধার দেয়াল অনেকের মাঝে এতোটাই বড় হয়ে ওঠে যে চলতে ফিরতে উঠতে বসতে সবকিছুতেই তারা থাকে দিধাম্বিত। দ্বীধা মানুষকে প্রচণ্ড রকম অস্থির করে রাখে।আর একজন দ্বীধাম্বিত মানুষ হয়  অস্থির স্বত্বার দাস এবং ধীরে ধীরে তারা হয়ে পরে ঘরকুনো, আত্মকেন্দ্রিক, আত্মবিশ্বাসহীন এবং অন্যের জন্য বিপদ জনক। বেশীরভাগ সময় এই সব দ্বিধাম্বিত মানুষ অনেক ভাবনা চিন্তার পর যে সিদ্ধান্তে আসে দেখা যায় তার বেশির ভাগটাই হয়ে যায় ভুল। তার কারণ প্রচণ্ড অস্থিরতায় আর যাই হোক গুছিয়ে সিদ্ধান্ত নেয়া সম্ভবপর হয় না।
একজন সাধারন মানুষের জন্য দ্বিধা আসে এবং সময়ের হাতধরে চলেও যায় অনেকটা গা ঝাড়া দিয়ে। কিন্তু যারা দ্বীধার দাসে পরিণত হয়ে গেছে তাদের জন্য এটা অনেকটা অসুখের মতো। যা আমারা দ্বিধাম্বিত মানুষ সচেতন ভাবে বুঝতে পারি না এবং কেউ ধরিয়ে দিলেও মেনে নিতে পারি না যে, সে একজন দুর্বল চিত্তের দ্বিধাম্বিত অস্থির প্রকৃতির মানুষ।
আপনি দিধাম্বিত মানুষ কি না তা নিজেই পরীক্ষা করে দেখতে পারেন
১।  মনোযোগে অসুবিধা,
২। অত্যন্ত মেজাজ খারাপ থাকা,
৩। খুব বেশী ঘুম হওয়া বা যথেষ্ট ঘুম না হওয়া,
৪। সব সময় উদ্ববিগ্ন থাকা,
৫। পরিবার কিংম্বা বন্ধুদের থেকে দূরত্ব বারানোর চেষ্টা,
৬। অস্বাভাবিক চিন্তা,
৭। বিভ্রম,
৮। বিশৃঙ্খল বক্তৃতা সুইচিং বিষয়,
৯। বিষণ্নতা,
১০। উদ্বেগ ও
১১। আত্মঘাতী চিন্তা বা কর্ম।
দেখুন এর অনেকটাই আপনার মধ্যে বিদ্যমান আছে কি না?

*** এবার আসি আপনার মনের মাঝে দ্বিধার বাড়িটি কি ভাবে গোড়ে উঠলো তার কারণ অন্বেষনে। নিচে কিছু সাধারন কারণ দেখানো হলো।
১। অস্থির পারিবারিক পরিবেশ,
২। প্রাপ্তি অপ্রাপ্তির বোধের পর থেকেই অপ্রাপ্তির ঝুলি ভরতে থাকা,
৩। নিজের চেহারা নিয়ে হিন্যমনতা,
৪। বয়স বৃদ্ধির সাথে সাথে দীর্ঘ মেয়াদি বন্ধুত্বের অভাব,
৫। পরিবার থেকে খুব বেশি শারীরিক নির্যাতন,
৬। সামাজিক ও পারিপার্শ্বিক পরিবেশ হতে নিগৃহীত,
৭। অতান্ত নতুনত্ব প্রিয়তা এবং
৮। নিজের সম্পর্কে পরিস্কার ধারনা না থাকা।

পরিশেষে শুধু এটূকুই বলতে চাই। দ্বিধা শুধু আপনাকেই অস্থির করে তোলে না। অস্থির করে তোলে আপনদের খুব কাছেরে মানুষদের কেউ। তাই দ্বিধার বাড়ি ভেঙ্গে মনের মাঝে গড়ে তুলুন আত্মবিশ্বাসের বাড়ি। 

****লেখক:- অপরাজিতা অভিমানী নির্বাসিতা****

শারীরিক সৌন্দর্য বিকাশ

সময়ের সাথ ধরে সামাজিকতার হাত ধরে আমরা এখন অনেক সচেতন আমাদের শারীরিক সৌন্দর্যের  বিকাশ সাধন এবং তা নিয়ন্ত্রণে ।
আর এই নিয়ন্ত্রনের জন্য এখন আমাদের আশেপাশেই গড়ে উঠছে কতো না নজর কারা হাতছানি । কখনো সময়ের অভাবে কখনো ব্যাক্তিগত কারণে সেই সব হাত ছানিতে  হয়তো সারা দেয়া হয় না আপনার ।
তাতে কি থেমে যাবে আপনার শারীরিক সৌন্দর্যের বিকাশ সাধন এবং তা নিয়ন্ত্রণ ?
আপনার উত্তর যদি হয় না । তবে থাকুন আমাদের সাথে এবং প্রতিদিন নিয়ে যান আপনার শারীরিক সৌন্দর্য বিকাশ সাধন এবং তা নিয়ন্ত্রণের চাহিদা অনূযায়ী খোরাক ।
ওহ আর একটা কথা আপনি হয়তো বুঝবেন না আপনার শরীর অনুযায়ী কোন ব্যাম দিয়ে শুরু করবেন শারীরিক সৌন্দর্যের বিকাশ সাধন এবং তা নিয়ন্ত্রণের কাজ ।  আর সেখানেও আমরা আছি আপনার পাশে । আমাদের কে জানাতে পারেন বিস্তারিত । আমারা আপনাকে ডায়েট চার্টের পাশাপাশি দিয়ে দেবো কি ব্যায়াম এবং কেমন ব্যায়াম করে অন্য কোনরকম শারীরিক সমস্যা ছাড়াই দ্রুত অথবা ধীরে ধীরে কতো মাসে বা কতোদিনে কতোটূকু ওজন কমাতে পারবেন ?
আর আজকে আপনার জন্য খুব সহজ এবং কার্যকারী ডায়েট ঃ-
***প্রতিদিন প্রতিবেলা খাবার আগে অন্তত এক গ্লাস পানি খাবেন । এতে আপনার খাবার আগ্রহ অনেকটাই কমে যাবে ।***

****লেখক:- অপরাজিতা অভিমানী নির্বাসিতা***